একাধিক শাখা চালান? স্টক ও ক্যাশ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে
দ্বিতীয় শাখা খুললে স্টক ও ক্যাশ হারানোর জায়গাও দ্বিগুণ হয়। কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার, স্টক ট্রান্সফার ও শাখাভিত্তিক রিপোর্ট মালিকের হাতে নিয়ন্ত্রণ রাখে।
Infosoftix Team4 মিনিটে পড়া
পড়ুন English

দ্বিতীয় বা তৃতীয় শাখা খোলা ব্যবসার বড় একটি ধাপ। সাথে কাজও বাড়ে: বেশি স্টক গোনা, বেশি ক্যাশ মেলানো আর বেশি কর্মীর উপর ভরসা করা। যারা ভালোভাবে সামলান, তারা সাধারণত কয়েকটি একই নিয়ম মেনে চলেন।
সব শাখা, একটি সিস্টেম
প্রতিটি শাখা আলাদা খাতা বা স্প্রেডশিট রাখলে কেউই পুরো চিত্র দেখতে পান না। একটি ক্লাউড সিস্টেমে সব শাখায় একই পণ্যের তালিকা ও দাম থাকে, আর মালিক সব শাখা একসাথে — বা একটি একটি করে — দেখতে পান।
ফোন কলে নয়, ট্রান্সফারে স্টক পাঠান
এক শাখা থেকে আরেক শাখায় পণ্য গেলে সেটি ট্রান্সফার হিসেবে রেকর্ড হওয়া উচিত: এক শাখা থেকে পাঠানো, অন্য শাখায় গ্রহণ। পাঠানো হয়েছে কিন্তু পৌঁছায়নি — এমন পণ্য সাথে সাথে চোখে পড়ে, হারিয়ে যায় না।
যেখানে লাভ, সেখানে কেন্দ্রীয় ক্রয়
কেন্দ্রীয় গুদাম থেকে সব শাখার জন্য একসাথে কিনলে প্রায়ই সাপ্লায়ারের কাছে ভালো দাম পাওয়া যায়। সিস্টেমে গুদামে পণ্য গ্রহণ করে শাখায় ভাগ করে পাঠানোর সুযোগ থাকা দরকার।
প্রতিদিন ক্যাশ মেলান
দিন শেষে প্রতিটি কাউন্টারে সিস্টেমের হিসাবে ক্যাশে কত থাকার কথা আর আসলে কত আছে — মিলিয়ে দেখুন। প্রতিদিন ধরা পড়া ছোট গরমিল কখনো বড় হয় না।
একই রিপোর্টে শাখাগুলো তুলনা করুন
- প্রতিটি শাখার দৈনিক বিক্রি ও লাভ
- শাখাভিত্তিক স্টকের মূল্য ও ধীরে বিক্রি হওয়া পণ্য
- শাখাভিত্তিক খরচ
- প্রতিটি জায়গায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পণ্য
কর্মীদের যতটুকু দরকার, ততটুকু অ্যাক্সেস
শাখা ম্যানেজার শুধু নিজের শাখা দেখবেন। ক্যাশিয়ার বিল করবেন ও পেমেন্ট নেবেন। দাম বদলানো আর সব শাখার লাভ দেখা — শুধু মালিক বা হেড অফিসের কাজ।
রিটেইল POS ও ERP-এর প্ল্যানে ১ থেকে ২০টি শাখা পর্যন্ত আছে। প্ল্যানগুলো তুলনা করুন অথবা ১৪ দিনের ফ্রি ডেমো শুরু করুন।
সম্পর্কিত লেখা

দোকানের জন্য POS সফটওয়্যার বাছাই করবেন কীভাবে: একটি কাজের চেকলিস্ট
বিলিংয়ের গতি, সঠিক স্টক, শাখা, রিপোর্ট ও সাপোর্ট — যেকোনো POS সফটওয়্যার কেনার আগে যে প্রশ্নগুলো করা দরকার।

মেয়াদ ও FEFO: মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে টাকা নষ্ট বন্ধ করুন
ফার্মেসি ও সুপারশপের লাভের একটি অংশ যায় তাকে পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে। ব্যাচ ট্র্যাকিং আর “আগে মেয়াদ শেষ, আগে বিক্রি” পদ্ধতি এর বেশিরভাগ সমাধান করে।

দোকান মালিকের প্রতিদিন দেখার মতো ৫টি রিপোর্ট
প্রতিদিন সকালে সঠিক রিপোর্টগুলোতে দশ মিনিট সময় দিলেই জানা যায় কী বিক্রি হলো, কত আয় হলো, টাকা কোথায় গেল আর কী অর্ডার করতে হবে।